Solve pollution. Save lives. Protect the planet.

#৮/১, ব্লক-সি, লালমাটিয়া
ঢাকা, বাংলাদেশ

বাংলাদেশ টীম
ডঃ মাহফুজার রহমান

কান্ট্রি ডিরেক্টর
[email protected]

ডঃ আজিজ হাসান

সিনিয়র এডভাইজার

আরিফ সিকদার

সিনিয়র এডভাইজার

মিতালী দাশ

কমিউনিকেশন্স লিড
[email protected]

মোঃ লুৎফুল কবির

ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর
(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে প্রজেক্ট)

গোলাম মুর্তজা মিলন

হেল্‌থ অ্যান্ড সেফটি অফিসার
(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে প্রজেক্ট)

নুজহাত ফেরদৌস ইসলাম

কমিউনিকেশন্স এসোসিয়েট

ENGLISH | বাংলা

পিওর আর্থ, বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পিওর আর্থ ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রধানত সিসার উৎস, দূষিত সাইট শনাক্তকরণ (টক্সিক সাইট এসেসমেন্টের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে ৩০০-রও অধিক দূষিত সাইট শনাক্ত ও নিরূপণ করা হয়েছে), সিসা দূষণ প্রতিকার কার্যক্রমের (বাংলাদেশে পিওর আর্থই প্রথম এমন প্রতিকার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে যার ফলে সেখানকার শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা ৩৫% পর্যন্ত কমে এসেছে) উপর সক্ষমতা বৃদ্ধি, অংশীদারিত্ব তৈরি এবং মৌলিক গবেষণা পরিচালনায় ভূমিকা রেখেছে।

অতি সম্প্রতি, ভোগ্যপণ্য, যেমন- মশলা ও রান্নার তৈজসপত্রে সিসা শনাক্তকরণে গবেষণা বিস্তৃত করেছে। পিওর আর্থ বাংলাদেশ সরকারি সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় ‘হেল্‌থ অ্যান্ড পলিউশন অ্যাকশন প্ল্যান- এইচপ্যাপ’ তৈরি ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং মিডিয়ার সাথে সহযোগিতাপূর্ণ অংশগ্রহণে সিসার সংস্পর্শ হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিনব সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন সুরক্ষায় পিওর আর্থ বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি- ‘সিসা দূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’।

 পিওর আর্থের সিসা দূষণ প্রতিকার প্রকল্প নিয়ে Channel 24 News Bangladesh এর প্রতিবেদন

WORLD ENVIRONMENT DAY 2022

There is #OnlyOneEarth and together we can protect it.

The Toxic Truth

সিসা এক নীরব ঘাতক!

বাংলাদেশে সিসার নিশ্চিত ও সন্দেহজনক উৎসগুলো হচ্ছে সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি উৎপাদন ও রিসাইক্লিং, মশলা (হলুদ), সিসা মিশ্রিত রং, অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্র, ই-বর্জ্য, ভেজাল খাদ্য, গয়না, স্বর্ণের খাদ প্রক্রিয়াকরণ, প্রসাধনী, সিঁদুর এবং হারবাল ওষুধ। 

 

প্রকল্পসমূহ

চলমান প্রকল্পঃ

  • সিসার উৎস শনাক্তকরনে মার্কেট ইনভেস্টিগেশন
  • দূষিত সাইট শনাক্তকরণ
  • সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন কমিউনিটি আউটরিচ
  • হেল্‌থ অ্যান্ড পলিউশন অ্যাকশন প্ল্যান
  • টিএসআইপি/ টিসিপ প্রশিক্ষণ

সফল প্রকল্পঃ

  • বাংলাদেশ (টাঙ্গাইল) ব্যবহৃত সিসা-অ্যাসিড কারখানার প্রাথমিক সাইট মূল্যায়ন (২০১৮)
  • কাঠগড়ায় সিসা দূষণ প্রতিকার (২০১৭)
  • টিসিপ/ টিএসআইপি প্রশিক্ষণ, ঢাকা (২০০৯)

প্রোগ্রামভিত্তিক কার্যক্রম

সিসার উৎসসমূহ শনাক্তকরণে গবেষণা
সিসার উৎসসমূহ শনাক্তকরণে গবেষণা

পিওর আর্থ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ- আইসিডিডিআরবি এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সিসার সংস্পর্শে আসার ২টি গুরুত্বপূর্ণ উৎস উন্মোচিত হয়েছেঃ ব্যবহৃত সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারির অবৈধ রিসাইক্লিং (যেমন- গাড়ির ব্যাটারি) এবং সিসা মিশ্রিত ভেজাল মশলা। 

দূষিত সাইট শনাক্তকরণ
দূষিত সাইট শনাক্তকরণ

২০১৬সালে পিওর আর্থ, স্থানীয় সহযোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাথে দূষিত হটস্পটগুলো চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করে। মাত্র ৬মাসের মাথায় ১১৫সাইট শনাক্ত করা সম্পন্ন হয়। ২০২১ সাল পর্যন্ত পিওর আর্থ ৩০০-রও বেশি দূষিত সাইট শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এই তথ্যানুসারে/ এরই ধারাবাহিকতায়, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ধারণা করছে সারা বাংলাদেশে ১০০০-এরও অধিক এমন সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি থেকে অবৈধ উপায়ে সিসা গলানোর কারখানা আছে।

সিসা দূষণ প্রতিকার প্রকল্প
সিসা দূষণ প্রতিকার প্রকল্প

২০১৮ সালে কাঠগড়ায় পিওর আর্থ, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সিসা দূষণ প্রতিকার করার প্রকল্প সম্পন্ন করে।  এর ফলে সেখানকার শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা ৩৫% পর্যন্ত হ্রাস পায় (পূর্বের সম্ভাব্য মাত্রার সাথে তুলনায়)।

অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন
অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন

সিসা দূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’ এই স্লোগানের আওতায় পিওর আর্থ এবং সহযোগী সংস্থা ইউনিসেফ বাংলাদেশ, এসডো, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০২১ সালের আন্তর্জাতিক সিসা দূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ পালন করে। 

The Toxic Truth

সিসার সংস্পর্শে থাকলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পরে শিশুদের মস্তিস্কে।

 

সিসার কারণে মস্তিষ্কের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি ও আইকিউ ঘাটতি তৈরি করে। ফলশ্রুতিতে তা অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা হ্রাস করে। উৎপাদনশীলতার এই ঘাটতি বাংলাদেশের জিডিপি-তে বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই সিসা শুধু স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ নয়, একই সাথে দারিদ্র্যতার সাথেও সম্পৃক্ত। জলবায়ু সংকট নিরসনেও ব্যবহৃত সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সিসা দূষণ শুধুই স্বাস্থ্যগত, অর্থনৈতিক বা পরিবেশ ইস্যু নয়; উন্নয়নের আরো অনেক ক্রস-কাটিং ইস্যু, যেমন- শিক্ষা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার সাথে সম্পৃক্ত।

Kathgora, Bangladesh lead remediation.

অনুষ্ঠানসমূহ

পরিবেশ দিবস সেমিনারঃ বাংলাদেশে সিসা দূষণ নিরসনে নীতি-নির্ধারণী মহলের অংশগ্রহনমূলক সেমিনার সভা

পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে পিওর আর্থ বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইউনিসেফ ও ক্ল্যারিওস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় একটি সেমিনারের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে নীতি-নির্ধারণী মহলের সাথে সিসা দূষণ প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়াও, উপস্থিত সকলের সাথে সাম্প্রতিক টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরে সিসা দূষণ প্রতিকার প্রকল্পের অর্জন ও পর্যবেক্ষণী শিক্ষা নিয়ে মত বিনিময় করা হয়।

তারিখঃ ৮ জুন, ২০২২

স্থানঃ মিলনায়তন, পরিবেশ অধিদপ্তর, পরিবেশ ভবন, আগারগাঁও।

মির্জাপুরে সিসা দূষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক জনসমাবেশ

পিওর আর্থ বাংলাদেশ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের যৌথ উদ্যোগে সিসা দূষণ প্রতিকার প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার মাধ্যমে এক সচেতনামূলক জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়। প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার রাজাবাড়ি গ্রামে পিওর আর্থ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ এবং আইসিডিডিআর,বি  বাস্তবায়ন করেছে।, 

জনসমাবেশটি আইসিডিডিআর,বি এবং ইউনিসেফ এর সহযোগিতায়, এবং ইউএসএইড, টাও, এবং ক্ল্যারিওস ফাউন্ডেশন-এর অর্থায়নে অনুষ্ঠিত হয়।  

তারিখঃ ৫মার্চ, ২০২২

স্থানঃ রাজাবাড়ি, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।

পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ

Stay up to date with our work:




“এই বৈশ্বিক সমস্যা মোকাবিলায় আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। পিওর আর্থ সমন্বিত পদক্ষেপের দ্বার উন্মোচন করেছে।”
আশরাফ উদ্দিন,
সাবেক মহাপরিচালক,
পরিবেশ অধিদপ্তর।
“ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ সুরক্ষায় সিসা সংস্পর্শে আসা রোধ করাকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।”
আহমেদ শামিম আল রাজী
অতিরিক্ত সচিব
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
“সিসার সকল উৎস শনাক্তকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হল  ২০৩০সালের মধ্যে রাসায়নিক বর্জ্য হ্রাস করা।”
রোবেদ আমিন,
লাইন ডিরেক্টর, এনসিডিসি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

Our Partners and Donors